সদ্য বিবাহিত মনির সাহেব নতুন বাসায় উঠলে পাশের বাসার হাশেম সাহেব বললেন, "এ ঘরে ভূত আছে, রাতে নানান রকম শব্দ হয়, আপনি এ বাসায় কীভাবে থাকবেন?" এসব শুনে তিনি ভয় পেয়ে যান। রাতে ঘুমাতে গিয়ে হাশেম সাহেবের কথার সত্যতা মিলে। পরদিন কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানতে পারেন ওপরের তলায় নানা বয়সী তিনটি বাচ্চা গভীর রাত পর্যন্ত খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকে। এ শব্দগুলিকেই সবাই ভূত মনে করে ভয় পেত।
উদ্দীপকের হাশেম সাহেবের সঙ্গে 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
শিক্ষা ও সচেতনতার অভাবে মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাস করে। সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি তাদের অহেতুক বিশ্বাস লক্ষ করা যায়। এমনই একটি বিশ্বাস হচ্ছে ভূত-প্রেতে বিশ্বাস। প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে ভূত-প্রেত বলে কিছু নেই।
উদ্দীপকে হাশেম সাহেবের ভূতে বিশ্বাস ও ভূতের ভয়ের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে হাশেম সাহেব তার প্রতিবেশী মনির সাহেবকে ভূক্ত সম্পর্কে সতর্ক করতে গিয়ে বলেছেন- 'এ ঘরে ভূত আছে, রাতে নানান রকম শব্দ হয়, আপনি এ বাসায় কীভাবে থাকবেন?' উদ্দীপকের হাশেম সাহেবের এ বিশ্বাস 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেনের ভূতে বিশ্বাসের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ গল্পে নগেনও মামার তৈলচিত্রে হাত দিয়ে স্পর্শ করতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে তা ভূতের কারসাজি মনে করেছে। নগেন শিক্ষিত হলেও সমাজের প্রচলিত বিশ্বাস ও ধারণার কারণে এ বিষয়ে সচেতন নয়। অনুরূপভাবে হাশেম সাহেব শহরের বাসায় থাকলেও কুসংস্কারে বিশ্বাসী। এ দিক থেকে উদ্দীপকের হাশেম সাহেব 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেনের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?